এপ্রিল ১৪, ২০২৪

সাকিব আল হাসানের আউটটি নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন অন ফিল্ড আম্পায়ার। অনেকক্ষণ ভেবে তিনি আউটের সিদ্ধান্ত দিলে তৎক্ষণাৎ রিভিউ নেন সাকিব। আর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দায়িত্ব তখন চলে যায় ম্যাচের থার্ড আম্পায়ার ল্যাংটন রুসেরির হাতে।

বাংলাদেশের খেলা আর বিতর্কিত আম্পায়ারিং যেন একাকার হয়ে গেছে। প্রতি ম্যাচেই টার্নিং পয়েন্টে এসে আম্পায়ারদের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত যায় বাংলাদেশের বিপক্ষে। এর সর্বশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এলিট প্যানেলের আম্পায়ার ল্যাংটন রুসেরি।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের ১১তম ওভারে এ সিদ্ধান্ত হয়। বল হাতে এসে ওভারের চতুর্থ বলে শাদাব খান তুলে নেন সৌম্য সরকারকে। পরের বলে তার এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়তে হয় সাকিব আল হাসানকে।

সাকিবের আউটটি নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন অন ফিল্ড আম্পায়ার। অনেকক্ষণ ভেবে তিনি আউটের সিদ্ধান্ত দিলে তৎক্ষণাৎ রিভিউ নেন সাকিব। আর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দায়িত্ব তখন চলে যায় ম্যাচের থার্ড আম্পায়ার ল্যাংটন রুসেরির হাতে।

রিপ্লে দেখে তিনি সাকিবকে আউটের সিদ্ধান্তটাই বহাল রাখেন, কিন্তু টিভি রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায়, যে সময় আলট্রা এজে সাউন্ড ধরা পড়ে, সে সময় সাকিবের ব্যাট মাটি থেকে বেশ ওপরে ছিল। আর তাহলে অবধারিতভাবেই সেই শব্দ বল ব্যাটে লাগার ফলেই হয়েছে।

আম্পায়ার ল্যাংটন বহাল রাখেন ফিল্ড আম্পায়ারের কল।অথচ থার্ড আম্পায়ার জানান, সাকিবের ব্যাট মাটিতে স্পর্শ করার সাউন্ডটাই রিপ্লেতে আল্ট্রা এজ হিসেবে ধরা দিয়েছে। আর বল ব্যাটে না লেগে পায়ে লাগায় ফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন তিনি।

রিপ্লেতে সে সময় মাটিতে স্পর্শ করার কোনো আলামত দেখা যায়নি। যেন এক দিব্যদৃষ্টির বলে ব্যাট মাটিতে লাগতে দেখেছেন ল্যাংটন।

বল যে ব্যাটে লেগেছে সেটি নিশ্চিত ছিলেন সাকিবও। সে কারণে সঙ্গে সঙ্গেই রিভিউ নেন তিনি। থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে তাই হতবাক হয়েছেন সাকিব।

আউটের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার পর ফিল্ড আম্পায়ারের সঙ্গে বেশ খানিকক্ষণ মাঠে দাঁড়িয়ে কথা বলেন সাকিব। এরপর ছেড়ে যান মাঠ।

ভুল সিদ্ধান্তের বলি হয়ে রানের খাতা খোলার আগেই মাঠ ছাড়তে হয় সাকিব আল হাসানকে। সেখান থেকে শুরু ব্যাটিং বিপর্যয় আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এ কারণে ১২৭ রানেই থেমে যেতে হয় তাদের।

শেয়ার দিয়ে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *